উঠে যাচ্ছে দশমের পরীক্ষা নয়া জাতীয় শিক্ষানীতিতে সিলমোহর কেন্দ্রের

15th December 2023 10:54 am Country News
উঠে যাচ্ছে দশমের পরীক্ষা নয়া জাতীয় শিক্ষানীতিতে সিলমোহর কেন্দ্রের


নতুন শিক্ষানীতিতে সবুজ সংকেত দিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Cabinet)। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর জাতীয় শিক্ষানীতিতে (New Education Policy) ব্যাপক পরিবর্তন ঘটানো হল। ২০২০ যে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের কথা বলা হয়েছিল, তিন বছর পর আগামী লোকসভা ভোটের মুখে সেই শিক্ষানীতিতে বৃহস্পতিবার সিলমোহর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।বিরোধীরা এই শিক্ষানীতিকে গৈরিকীকরণের প্রচেষ্টা বলে তখন থেকেই অভিযোগ করে আসছে।নয়া শিক্ষানীতিতে দেশে দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষা উঠে যাচ্ছে। প্রথম বোর্ডের বড় পরীক্ষা হবে দ্বাদশ শ্রেণিতে। ডিগ্রি কোর্স হয়ে যাচ্ছে ৪ বছরের। যাঁরা উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী নন, তাদের জন্য শুধু তিন বছরের ডিগ্রি কোর্স থাকছে। উঠে যাচ্ছে এমফিল। এমএ পড়ুয়ারা এখন সরাসরি পিএইচডি করতে পারবেন। যদি কেউ একটি কোর্স চলাকালীন অন্য কোর্সে যেতে আগ্রহী হন, সেক্ষেত্রে সাময়িক বিরতি দিয়ে তাঁরা ওই কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন। করতে পারবে। সাত বছর বয়সে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করতে হবে শিুশুদের। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সেমেস্টার ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। নার্সারি থেকে সামগ্রিক স্কুলশিক্ষার পাঠ্যক্রমকে ৫ + ৩+ ৩+ ৪ ফরমুলায় ভাগ করা হয়েছে।

৫ বছরের ফান্ডামেন্টাল শিক্ষা

নার্সারি- ৪ বছর

জুনিয়র কেজি -৫ বছর

সিনিয়র কেজি- ৬ বছর

প্রথম শ্রেণি- ৭ বছর

দ্বিতীয় শ্রেণি- ৮ বছর

৩ বছরের প্রিপারেটরি শিক্ষা

তৃতীয় শ্রেণি ৯ বছর

চতুর্থ শ্রেণি ১০ বছর

পঞ্চম শ্রেণি ১১ বছর

৩ বছরের মিডল শিক্ষা

ষষ্ঠ শ্রেণি- ১২ বছর

সপ্তম শ্রেণি-১৩ বছর

অষ্ঠম শ্রেণি- ১৪ বছর

৪ বছরের সেকেন্ডারি শিক্ষা

নবম শ্রেণি- ১৫ বছর

এসএসসি- ১৬ বছর

ফার্স্ট ইয়ার জুনিয়ার কলেজ- ১৭ বছর

সেকেন্ড ইয়ার জুনিয়ার কলেজ- ১৮ বছর

নয়া শিক্ষানীতিতে আরও বলা হয়েছে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের মাতৃভাষায় পাঠদান করাতে হবে। সঙ্গে থাকবে স্থানীয় ভাষা এবং জাতীয় ভাষা। এছাড়াও বলা হয়েছে, এম এ পাঠ্যক্রম হবে এক বছরের। সমগ্র জাতীয় শিক্ষানীতি পরিচালনার জন্য গঠন করা হবে ন্যাশনাল অডুকেশানাল সাইন্টিফিক ফোরাম। দেশের সরকারি, বেসরকারি এবং ডিমড মিলিয়ে মোট ৪৫ হাজার কলেজে একই পাঠ্যক্রম চালু করার কথা বলা হয়েছে।

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।