চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নতুন ভ্যারিয়ান্ট কী কী উপসর্গ ?

20th December 2023 9:12 am Country News
চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নতুন ভ্যারিয়ান্ট কী কী উপসর্গ ?


করোনার নতুন সাব-ভ্যারিয়ান্ট JN1 নিয়ে সতর্ক করে দিলেন ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা। এর প্রভাবে কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে আগাম সতর্কতা হিসেবে কোভিড বিধি মেনে চলার জন্য দিয়েছেন পরামর্শ।ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?ভাইরাস বিশেজ্ঞরা জানিয়েছেন নতুন সাব-ভ্যারিয়ান্ট JN1 কতটা শক্তিশালী, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর লক্ষ্যণগুলি সম্বন্ধে দেওয়া হয়েছে স্পষ্ট ধারণা। সাধারণ সর্দি-কাশির সঙ্গে থাকবে ক্লান্তি এবং সারা শরীর ও গলা ব্যথার মতো উপসর্গগুলি। তবে, করোনার নতুন এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট অল্প বয়সীদের কাবু করতে পারবে না বলে বিশেষজ্ঞরা দিয়েছেন আশ্বাস।যাঁদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে এবং বেশি বয়স্ক, তাঁদের ক্ষেত্রে JN1 ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে দেওয়া হয়েছে ইঙ্গিত।ভারতে JN1-এর নমুনা মিলল  ভারতেও দু'জনের শরীরে মিলেছে করোনার নতুন সাব-ভ্যারিয়ান্ট JN1 নমুনা। কয়েকদিন আগে তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লিতে বিদেশ থেকে আগত একজনের রক্তের নমুনায় মিলেছে এই স্ট্রেনের হদিশ। এরপরেই কেরালার তিরুবনন্তপুরমেও একজনের নমুনায় JN.1 মিলেছ বলে জানা গেছে।ভারতেও নতুন সাব-ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্তের খোঁজ মেলায় স্বাস্থ্যমন্ত্রক থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন স্ট্রেন সম্বন্ধে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে করে দেওয়া হয়েছে সতর্ক। সেই সঙ্গে সংক্রমণ রুখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে নির্দেশ।কী বলছেন প্রাক্তন আইএমএ সভাপতিতথ্য অনুযায়ী, করোনার নতুন সাব-ভ্যারিয়ান্ট JN1-এর প্রথম খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল লুক্সেমবার্গে। এরপর সেটি বিশ্বের ৩৮টি বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)-এর প্রাক্তন সভাপতি রাজীব জয়দেবন জানিয়েছেন, কোভিড একটি চক্রাকার রোগ। এটি যে আবার ফিরে আসবে, তা স্বাভাবিক।চলতি বছরের এপ্রিল মাসে নতুন করে করোনা সংক্রমণ শুরু হয়। ধনী দেশগুলিতে সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছেন তিনি।আইএমএ-র প্রাক্তন সভাপতি আরও বলেন যে গত অক্টোবর মাসে আমেরিকায় নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ হাজার মানুষ। এর মধ্য ১ জনের শরীরে সেই সময় নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট JN1 পাওয়া গিয়েছিল।

 

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।