বাড়িতে বানানো ব্রাউনি কিছুতেই দোকানের মতো হচ্ছে না, কোথায় ভুল হচ্ছে বলুন তো?

2nd January 2024 10:30 am Country News
বাড়িতে বানানো ব্রাউনি কিছুতেই দোকানের মতো হচ্ছে না, কোথায় ভুল হচ্ছে বলুন তো?


নতুন বছর উপলক্ষে বাড়িতে অতিথি, বন্ধুবান্ধবের আনাগোনা লেগেই রয়েছে। তাই মিষ্টিমুখের জন্য বাড়িতে কয়েকটা ব্রাউনি তৈরি করে রাখবেন বলেই মনস্থির করেছেন। আগে বার দুয়েক ব্রাউনি তৈরি করেছেন। কিন্তু সেই খাবারটি দেখতে বা খেতে কোনটাই দোকানের মতো হয়নি। অথচ কেক, ব্রাউনি তো সবই এক গোত্রের খাবার। কেক তৈরি করতে পারলেই ব্রাউনি করে ফেলতে পারবেন বলে মনে করেন অনেকে। তবে রন্ধনশিল্পীরা তেমনটা বলেন না। তৈরি করার পদ্ধতি এক রকম হলেও ব্রাউনির সঙ্গে কেকের একটু ফারাক রয়েছে। তাই পেশাদার ‘বেকার’দের মতো ব্রাউনি তৈরি করতে চাইলে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

১) ব্রাউনি তৈরিতে প্রয়োজনীয় প্রতিটি উপকরণের অনুপাত যেন সঠিক হয়। মাখন, চিনি, ময়দা, ডিম— এই চার উপকরণের অনুপাত সঠিক হলেই দোকানের মতো ব্রাউনি তৈরি করে ফেলতে পারবেন।

 

২) মাখন এবং কোকো পাউডারের পরিমাণ যেন সঠিক হয়। অনেকটা পরিমাণ মাখন এবং সেই অনুপাতে কম কোকো পাউডার ব্রাউনির টেক্সচার নষ্ট করে দিতে পারে।

৩) কেকের জন্য ব্রাউন সুগার বা সাদা চিনিগুঁড়ো ব্যবহার করেন। কিন্তু ব্রাউনির জন্য শুধুমাত্রই সাদা, মোটা দানার চিনি ব্যবহার করতে হবে। ব্রাউনি তৈরিতে গুড় বা ব্রাউন সুগার ব্যবহার করলে তা ব্রাউনির মধ্যে আর্দ্র ভাব বাড়িয়ে দিতে পারে।

 

৪) ব্রাউনির ব্যাটার তৈরির সময়ে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডিম মেশালে, তা খেতে কেকের মতো হয়ে যাবে। তাই অন্যান্য উপকরণের অনুপাতে ডিম একটা কম হলেও এ ক্ষেত্রে ক্ষতি হবে না।

 

৫) প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ময়দা ব্যবহার করা যাবে না। ব্রাউনি তৈরির ক্ষেত্রে ময়দা এবং বেকিং সোডার ব্যবহার সঠিক হলে, তবেই তা নরম এবং স্পঞ্জি হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।