গোয়েন্দা গল্প পড়তে ভালবাসেন? এই বিষয়ে কোর্স করাচ্ছে নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

13th January 2024 2:37 pm Country News
গোয়েন্দা গল্প পড়তে ভালবাসেন? এই বিষয়ে কোর্স করাচ্ছে নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়


শার্লক হোমস থেকে ফেলুদা! দু’ই গোয়েন্দা সমগ্রের সব ক’টি গল্পই একবারে মুখস্থ। গোয়েন্দা গল্প পাঠে বাদ নেই কোনও কিছুই। কারণ, সব থেকে পছন্দের ভাল লাগার জায়গা গোয়েন্দা গল্প পড়া। যদি এমন কেউ থাকেন, আর গোয়েন্দা গল্প পড়াতেই দিনের অর্ধেক সময় কেটে যায় তা হলে এই বিষয়ে এবার কোর্সও করে নিতে পারেন। নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দিচ্ছে বাংলা গোয়েন্দা পাঠের ভূমিকা নিয়ে স্বল্পমেয়াদী কোর্সের সুযোগ।

ততাকথিত বিষয়ের থেকে একেবারে অন্য ধাঁচের এই কোর্সের সম্পূর্ণ নাম ‘গোয়েন্দা কাহিনী পাঠের ভূমিকা’। কোর্সটি মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভাষা অনুবাদ ও সংস্কৃত চর্চা কেন্দ্র’ থেকে আয়োজন করা হয়েছে বাংলা ভাষার গোয়েন্দা পাঠ্যপ্রেমীদের উদ্দেশে। যে কোনও ব্যক্তিই ভর্তি হতে পারেন। শুধু পূর্ণবয়স্ক হতে হবে এবং গোয়েন্দা পাঠের আগ্রহ থাকা প্রয়োজন। তা হলেই মাত্র আট সপ্তাহ বা বলা যায় দু’মাসের এই কোর্সে ভর্তি হওয়া যাবে।

ভাবছেন, ইচ্ছে থাকলেও কাজের ব্যাস্ততায় কী ভাবে ভর্তি হবেন? সেই বিষয়ও নজরে রেখে সম্পূর্ণ অনলাইনেই কোর্সটি আয়োজন করেছে এই প্রতিষ্ঠান। অনলাইন ‘জুম’ প্ল্যাটফর্মে পড়ানো হবে। ভর্তির আবেদনপত্র পূরণের সময়ই ১২৫০ টাকা জমা দিয়ে দিতে হবে।

তা হলে এবার আসা যাক কী ভাবে এই স্বল্প মেয়াদী কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন। তার জন্য প্রথমে যেতে হবে নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে। যে হোমপেজটি খুলবে সেখান থেকেই এই বিষয়ের বিজ্ঞপ্তি দেখতে পেয়ে যাবেন আগ্রহীরা। বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া লিঙ্কে গিয়ে প্রয়োজনীয় সব তথ্য পূরণ করতে হবে। তারপর ভর্তির টাকা জমা দিলেই গোয়েন্দা পাঠের ভূমিকা নিয়ে স্বল্পমেয়াদী কোর্স করার সুযোগ পেয়ে যাবেন। তবে, ৩১ জানুয়ারির মধ্যেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নেওয়া দরকার। ওই দিনের পর আর কোনও আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না।

 

এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত ভাবে তথ্য জানতে চাইলে বা শর্তাবলি যদি কিছু থাকে সেগুলিও জানা যাবে নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।