কাশির চিকিত্‍সায় আর নয় অ্যান্টিবায়োটিক জানুন কি বলছে চিকিত্‍সকেরা ?

16th January 2024 8:52 pm Country News
কাশির চিকিত্‍সায় আর নয় অ্যান্টিবায়োটিক জানুন কি বলছে চিকিত্‍সকেরা ?


আন্টিবায়োটিকের চেয়ে মধুই সর্দিকাশিতে বেশি কার্যকর বলে জানানো হয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায়। বিজ্ঞানীরা একটি গবেষণা প্রকল্প তৈরি করেন। তারা ১৪টি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনা করেন যাতে ১ হাজার ৭৬১ জন অংশ নেয়। গবেষণায় অ্যান্টিহিস্টামিন, পেইনকিলারসহ অন্যান্য অ্যান্টিবায়োটিকের উপাদানও ব্যবহার করা হয়।গবেষকরা জানান, তারা দেখেছেন মধুর ব্যবহারেই দ্রুত ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যায়। যেমন উপসর্গ কমে আসা এবং কফের প্রাদুর্ভাব কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে মধুই অধিক উপকারী। এর মধ্যে দুটি পরীক্ষায় দেখা গেছে মধু খাওয়ার এক বা দুই দিনের মধ্যেই রোগী সুস্থ হয়ে উঠতে শুরু করেছে।এ গবেষণায় যুক্ত ছিলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল স্কুলের গবেষক হিবাতুললা আবুলেগাসিম, নিউফিল্ড ডিপার্টমেন্টের প্রাইমারি কেয়ার হেলথ সায়েন্সের চারলেট আলবেরি এবং জোসেফ লি।তারা বলেন, মধু জটিল উপাদান। দুটি পরীক্ষায় মধুর কার্যকারিতা পাওয়া যায়নি। যে কারণে এ বিষয়ে আরো গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত নিবন্ধে তারা আরো বলেন, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যার জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার খুব সাধারণ একটি বিষয়। যদিও অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার অকার্যকর এবং অপ্রয়োজনীয়। এর পরিবর্তে মধুর ব্যবহার নিরাপদ ও কার্যকর।তারা উপসংহারে বলেন, মধু ঘরে ঘরে পথ্য হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি সস্তা ও সহজলভ্য। এর তেমন ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া নেই। আমরা মধুকে অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।