এবার থেকে ভূমিকম্প হলে জানিয়ে দেবে আপনার ফোন দেখে নিন সেটিংস

18th January 2024 6:52 pm Country News
এবার থেকে ভূমিকম্প হলে জানিয়ে দেবে আপনার ফোন দেখে নিন সেটিংস


সবাই জানেন, ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। যার পূর্বাভাস পাওয়ার তেমন কোনও প্রযুক্তি আমাদের হাতে নেই।তবে বিভিন্ন গবেষণা এবং পর্যবেক্ষণ থেকে কিছু পূর্বাভাস দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। স্মার্টফোনে বিভিন্ন অ্যাপ রয়েছে যা ভূমিকম্পের মুহূর্তে বা কিছু আগে ব্যবহারকারীকে সতর্ক করার চেষ্টা করে।তবে এবার থেকে অ্যাপ ছাড়াও অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনের নিজস্ব ফিচারও রয়েছে একটি বিশেষ সুবিধা, যা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে। এই অ্যালার্ট অ্যান্ড্রয়েডে চালু করতে হলে মাথায় রাখতে হবে, আপনার ফোনে অ্যান্ড্রয়েড-৫ বা তার উপরের সংস্করণ থাকতে হবে। ফিচারটি চালু থাকতে অবশ্যই সেলুলার বা ওয়াইফাই নেট চালু থাকতে হবে।এছাড়া ফোনের লোকেশান চালু রাখতে হবে।এগুলো চালুর পরে ফোনের সেটিংসে গিয়ে সেফটি অ্যান্ড এমারজেন্সি অপশনে যেতে হবে। সরাসরি না পেলে সার্চ থেকে সেফটি লিখলেই চলে আসবে।সেখানে আর্থকোয়েক অ্যালার্ট অপশনটি চালু করে দিতে হবে। সেই অপশনটির নিচে পারমিশন অপশন থাকতে পারে। সেখানে গিয়ে সব পারমিশন চালু করে দিতে হবে।ভূমিকম্প অ্যালার্ট আইফোনে চালু করার নিয়ম। এমনিতেই আবহাওয়া দফতরের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ভূমিকম্প অ্যালার্ট পাঠিয়ে থাকে অ্যাপল। সেটি পাওয়ার জন্য আইফোনের সেটিংসে গিয়ে সেখানে নোটিফিকেশন অপশানে ট্যাপ করতে হবে।সেখানে ইমার্জেন্সি অ্যালার্ট চালু করে দিতে হবে। ইমার্জেন্সি অ্যালার্ট পাওয়া না গেলে গভর্মেন্ট অ্যালার্টের সবগুলো অপশন চালু করে দিতে হবে। এর পর থেকে ভূমিকম্প হলে আপনি জানতে পারবেন ফোনের মাধ্যমে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।