অযোধ্যায় ঝাঁটা হাতে‌ মন্দির সাফাই করতে গিয়ে মনের মানুষ খুঁজে পেলেন কঙ্গনা!

25th January 2024 12:08 pm Country News
অযোধ্যায় ঝাঁটা হাতে‌ মন্দির সাফাই করতে গিয়ে মনের মানুষ খুঁজে পেলেন কঙ্গনা!


২২ জানুয়ারি, সোমবার অযোধ্যায় উদ্বোধন হয়েছে নবনির্মিত রামমন্দিরের। ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’ উপলক্ষে অযোধ্যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিড় জমিয়েছেন হাজার হাজার ভক্ত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে উদ্বোধন হয়েছে রামমন্দিরের। ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতের তালিকায় ছিলেন বিনোদন জগতের তাবড় তারকারা। সোমবার অযোধ্যায় উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, রজনীকান্ত, কঙ্গনা রানাউত থেকে অনুপম খের। এমনকি, ছিলেন আলিয়া ভট্ট, রণবীর কপূর, ক্যাটরিনা কইফ, ভিকি কৌশলরা। যদিও কঙ্গনা অযোধ্যায় পৌঁছে গিয়েছিলেন এক দিন আগেই। সেখানে রামলালার ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’র পর বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা যায় কঙ্গনার। আনন্দে হাত ছুড়তে থাকেন আকাশের দিকে। এ বার অযোধ্যায় গিয়ে মনের মানুষ খুঁজে পেলেন ‘কুইন’। রামমন্দিরে সামেন দাঁড়িয়ে ভারতের নামী ভ্রমণ সংস্থার মালিকের সঙ্গে একগুচ্ছ ছবি তোলেন তিনি। তার পর থেকেই শুরু হয়েছে, তা হলে হয়তো মনের মানুষ খুঁজে পেলেন কঙ্গনা!

রবিবার অযোধ্যায় পৌঁছে সাবেকি সাজে প্রথমে যজ্ঞে বসেন কঙ্গনা। তার পর হনুমানগড়ি মন্দির চত্বর ঝাঁট দেওয়ার পরে ধর্মগুরু রামানন্দাচার্য স্বামীর সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। সোমবার সাদা শাড়ি, গেরুয়া রঙের ব্লাউজ় ও লাল শালে সেজে রামমন্দির চত্বরে পা রাখেন কঙ্গনা। তার পরই নিশান্ত পিত্তির (যিনি ইজ় মাই ট্রিপ-এর কর্ণধার) সঙ্গে একাধিক ছবি দেখা যায়। তার পর থেকে কানাঘুষো শোনা যায়, প্রেমে পড়েছেন কঙ্গনা। অবশেষে নিজেই মুখ খুললেন অভিনেত্রী। কঙ্গনা সমাজমাধ্যমে জানান, তিনি নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন, খুব শীঘ্রই নিজের প্রেমিককে প্রকাশ্যে আনবেন। তবে নিশান্ত তাঁর প্রেমিক নন, তিনি বিবাহিত পুরুষ। কঙ্গনার কথায়, ‘‘এক জন নারী ও পুরুষ একসঙ্গে ছবি তুলেছেন মানেই তাঁরা প্রেম করছেন, এমন খবর ছড়াবেন না, এটা ভীষণ বিব্রত করে।’’





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।