সিনেমা ছেড়ে এবার ব্যবসায় নামলেন সানি লিওনি খুললেন রেস্তরাঁ কী কী খাওয়াবেন?

26th January 2024 8:31 pm Country News
সিনেমা ছেড়ে এবার ব্যবসায় নামলেন সানি লিওনি খুললেন রেস্তরাঁ কী কী খাওয়াবেন?


ভারতীয় সেলেবদের রেস্তরাঁর ব্যবসা নতুন নয়। সে বিনোদুনিয়া হোক কিংবা ক্রীড়াজগত্‍, হোটেল ইন্ডাস্ট্রির ব্য়বলাকেই বেছে নিয়েছেন তারকারা। শচীন তেন্ডুলকর, সুনীল শেট্টি, আশা ভোঁসলে, অর্জুন রামপাল, মিঠুন চক্রবর্তী, শিল্পা শেট্টি কুন্দ্রা থেকে নাগার্জুন, মৌনি রায়ের মতো অনেকেরই রেস্তরাঁর ব্যবসা রয়েছে।সেই তালিকাতেই এবার নাম লেখালেন সানি লিওনি (Sunny Leone)।নীলদুনিয়াকে অনেক আগেই বিদায় জানিয়েছেন তিনি। অভিনয় থেকে রিয়ালিটি শো, আইটেম নম্বরে বেশ জনপ্রিয় সানি লিওনি। এবার শুরু করলেন জীবনের নতুন ইনিংস। রেস্তরাঁর ব্যবসা শুরু করেছেন অভিনেত্রী। তবে মুম্বইতে নয়, নয়ডাতে ঝাঁ চকচকে এক রেস্তরাঁ খুলে ফেলেছেন সানি। বিলাসবহুল দ্বিতল ফুডজয়েন্ট। ইন্টারিয়র ডিজাইনেও চমক। সম্প্রতি উদ্বোধনের দিন স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারকে নিয়েও হাজির হয়েছিলেন সানি লিওনি।জানা গিয়েছে, নয়ডাতে খোলা সেই রেস্তরাঁর নাম চিকা লোকা। শনিবার রাতে ভোজনরসিকদের জন্য রেস্তরাঁর দরজা খুলে দিয়েছেন তিনি। তবে একা নন, অভিনেত্রীর এই হোটেল ইন্ডাস্ট্রির ব্যবসায় যৌথ উদ্যোগে টাকা ঢেলেছেন সিঙ্গিং বোলস হসপিটালিটির ডিরেক্টর সাহিল বাওয়েজাও।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।