হাতে নেলপলিশ বেশিদিন রাখতে পারেন না? এই ছোট্ট ট্রিকেই মুশকিল হবে আসান

2nd February 2024 10:42 pm Country News
হাতে নেলপলিশ বেশিদিন রাখতে পারেন না? এই ছোট্ট ট্রিকেই মুশকিল হবে আসান


খুব শখ করে হয়তো নেল পলিশ পরলেন অফিস বা স্কুল থেকে ফেরার পর, বিধি মেনে তা শুকোনোর জন্য যথেষ্ট সময়ও দিলেন, কিন্তু তাও পরদিন সন্ধে হওয়ার আগেই নখের রং চটে গেল? আমরা জানি, খুব মন খারাপ হয় এমনটা হলে। আসলে কি জানেন, নেল পলিশ পরে জলের কাজ করলেই নখের রং চটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বাসন মাজা বা কাপড় কাচার প্রয়োজন পড়লে হাতে গ্লাভস গলিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।চামচ ব্যবহার করে খেতে পারলে খুব ভালো হয়। তা ছাড়াও কয়েকটি নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করুন, তাতে হয়তো সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে!নখের স্বাস্থ্য ভালো হলে নেল পলিশ বেশিদিন টেকে। তাই যাঁরা ঘন ঘন পলিশ ব্যবহার করেন, তাঁরা অবশ্যই দু'টি অ্যাপ্লিকেশনের মাঝের বিরতিতে নখের জোর বাড়ানোর চেষ্টা করুন। ম্যানিকিওর করুন নিয়মিত, নেল ক্রিম লাগান, পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার উপর জোর দিন। নেল পলিশ লাগানোর আগে অবশ্যই এক পরত রিমুভার বুলিয়ে নেবেন নখের উপর। তাতে নখের উপর জমে থাকা তেল-ময়লা সরে যাবে। যাঁদের নখের স্বাস্থ্য খুব একটা ভালো নয়, তাঁরা অবশ্যই নন-অ্যাসিটোন রিমুভার কিনুন। নেল পলিশ লাগানোর আগে ভালো কোনও বেস কোট লাগিয়ে নিন নখের উপর। পলিশে বাতাসের বুদবুদ থাকলে নখের রং চটে যাবে সহজে, তাই ব্যবহারের আগে অবশ্যই একবার ভালো করে নেল পলিশের শিশিটা ঝাঁকিয়ে নিন। তাতে রং ভালোভাবে মিশে যাবে, থাকবে না এয়ার বাবলও।নেল পলিশ লাগানোর সময় নখের কোণের দিকগুলো বাদ দেবেন না। পাতলা কোট লাগান আর দু'টি কোটের মাঝে অবশ্যই খানিকক্ষণ বিরতি নিন। তাতে প্রতিটি কোট ভালোভাবে শুকিয়ে যাবে। শেষে লাগিয়ে নিন টপ কোট। মনে রাখবেন, নখ যত আর্দ্রতা হারাবে, তত বাড়বে রং চটার আশঙ্কা। তাই প্রতিবার হাত ধোওয়ার পর নেল অয়েল ব্যবহার করুন। হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার কিন্তু হাত শুকনো করে দেয় বেশি, তাই কোমল কোনও সাবান ব্যবহার করে হাত ধুয়ে নিন।

এত সাবধানতা পালন করে চলার পরেও কিন্তু ছোটখাটো চিপ দেখতেই পাবেন। সে ক্ষেত্রে নেল পলিশ দিয়ে টাচ আপ করে দিন। যাঁরা খুব ক্রিয়েটিভ, তাঁরা স্টোন বা অ্যাক্রিলিক রং দিয়ে রং-চটা নেলপলিশের উপরেও চমত্‍কার নকশা এঁকে নিতে পারেন কিন্তু! নিজের মনের মতো নেল আর্টের কারিগর হয়ে ওঠা যে এত সহজ, তা জানতেন?





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।