ওজন হ্রাসের জন্যে বাড়িতেই সহজে বানিয়ে নিন কোকোনাট প্রোটিন বল রইলো রেসিপি

2nd February 2024 10:49 pm Country News
ওজন হ্রাসের জন্যে বাড়িতেই সহজে বানিয়ে নিন কোকোনাট প্রোটিন বল রইলো রেসিপি


জন বৃদ্ধি নিয়ে এখন অনেকেই বেশ সচেতন। কিন্তু ওজন কমাতে গেলে খ্যাদাভাসে পরিবর্তন আনা জরুরী। ওজন বেড়ে যাওয়ার অনেক কারণের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে ক্যালরি বহুল খাবার খাওয়া(যেমন-তেল, ঘি, খিচুড়ি, মিষ্টি, কোমল পানীয়, পুডিং, আইসক্রিম, কেক, পেস্ট্রি ইত্যাদি)। ওজন কমানোর জন্যে এই খাবারগুলিকে তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। যারা ওজন কমানো নিয়ে চিন্তিত তাঁদের জন্যে রইলো একটি সহজ রেসিপি, কোকোনাট প্রোটিন বল। স্বাদ ও স্বাস্থ্য দুইই বজায় থাকবে এই কোকোনাট প্রোটিন বল-এ। কী ভাবে বানাবেন, শিখে নিন পদ্ধতি-

কোকোনাট প্রোটিন বল

উপকরণ: ভেজানো খেজুর, বাদাম, এক চামচ কোকো পাউডার, ১ কাপ ভিডাস্লিম প্রোটিন পাউডার, শুকনো নারকেল

প্রণালী: প্রথমে ব্লেন্ডারে কিছুটা বাদাম এবং কোকো পাউডার এক সঙ্গে মিশিয়ে নিন। তারপর ঐ মিশ্রণটিতে ভেজানো খেজুর ও জল যোগ করে আবারও ভালভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি যাতে শক্ত ময়দার মন্ডর মতো হয়। তারপর মিশ্রণটিতে যোগ করুন ভিডাস্লিম প্রোটিন পাউডার। এরপর সেগুলিকে বলার আকারে তৈরি করে নিন। তারপর শুকনো নারকেল দিয়ে ওই বলগুলি সাজিয়ে নিয়ে ৩০ মিনিটের জন্যে ফ্রিজে রেখে দিলেই তৈরি কোকোনাট প্রোটিন বল।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।