বিপাশা-কর্ণের কন্যা দেবীর বয়স ১৪ মাস পেলেন ফাইটার এর তকমা

4th February 2024 11:35 pm Country News
বিপাশা-কর্ণের কন্যা দেবীর বয়স ১৪ মাস পেলেন ফাইটার এর তকমা


২০২২ সালের নভেম্বর মাসে মা হন বিপাশা বসু। তাঁর ও কর্ণের সংসারে আসে দেবী বসু গ্রোভার। জন্মের তিন দিনের মাথায় অভিনেত্রী জানতে পারেন তাঁর সন্তান 'ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল ডিফেক্ট'-এ ভুগছে। অর্থাত্‍ একরত্তি দেবীর হৃদ্‌যন্ত্রে ছিদ্র রয়েছে। তার পর থেকেই ছোট্ট দেবীকে নিয়ে শুরু হয় বিপাশার লড়াই।তিন মাস বয়সে পা দিতেই ওপেন হার্ট সার্জারি করা হয়েছিল ছোট্ট দেবীর। মেয়ের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভিজে যায় অভিনেত্রীর চোখ। যদিও মেয়ের এই রোগের কথা আগে জানাননি বিপাশা। দেবীর ১ বছর পূর্ণ হতেই ছোট্ট দেবীর লড়াইয়ের কথা প্রকাশ্যে আনেন তিনি। এ বার মেয়েকে 'ফাইটার'-এর তকমা দিলেন কর্ণ।অসুস্থতা নিয়ে জন্ম হলেও প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর ছোট্ট দেবী। বিপাশা জানান, মেয়ের খুব অল্প বয়স থেকেই বিভিন্ন অভিব্যক্তি নাকি অনুকরণ করার চেষ্টা করত। ঠিক বাবা-মায়ের মতো। তবে অস্ত্রোপচারের পরবর্তী সময়টা বেশ ভেঙে পড়েছিলেন দম্পতি। এখন সুস্থ ছোট্ট দেবী। পায়ে পায়ে বয়স তার ১৪ মাস। মেয়ে একটু বড় হতেই ফেলা আসা কঠিন দিনগুলির লড়াইয়ের কথা তুলে ধরলেন কর্ণ। সম্প্রতি 'ফাইটার' ছবিতে অভিনয় করেছেন বিপাশার স্বামী। তবে তাঁর চোখে মেয়ে দেবীই সবথেকে বড় 'লড়াকু'। কর্ণের কথায়, ''দেবীর হৃদ্‌যন্ত্রের দুটি ফুটো। খবরটা জানার পর কান্নায় ভেঙে পড়েছিল বিপাশা। প্রথমে পরিবারের বড়দের কথা ভেবে বিষয়টা লুকিয়ে গিয়েছিলাম। গোটা লড়াইটা আমরা লড়েছিলাম একে-অপরের পাশে থেকে। আমাদের মেয়ে সত্যিই লড়াকু বাচ্চা। সব অর্থই ও দেবী। হৃদ্‌যন্ত্রের দুটি ফুটো অস্ত্রোপ্রচার করে ঠিক করা হয়েছে। ও এখন ভাল আছে, সুস্থ আছে। ও আমার 'ফাইটার'।'





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।