শিশু কিছুতেই ইসবগুল খেতে চায় না! ড্রাই ফ্রুট্‌স খাওয়ালে কি কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় হবে?

18th February 2024 1:21 pm Country News
শিশু কিছুতেই ইসবগুল খেতে চায় না! ড্রাই ফ্রুট্‌স খাওয়ালে কি কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় হবে?


শিশু সবে মাত্র দশে পা দিয়েছে। এখন থেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা একেবারে নাজেহাল অবস্থা। কিছুতেই জল খেতে চায় না। ধরে বেঁধে শাক-সব্জি খাওয়াতে হয়। কলা দেখলেই দৌড়ে পালিয়ে যায়। ওষুধ খাওয়ালে কয়েক দিন ঠিক থাকে। ওষুধ বন্ধ করলে আবার যে কে সেই। শীতকালে সেই কষ্ট আরও বেড়ে যায়। রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে কখনও কখনও। তাই জোর করে ইসবগুল খাওয়ানোর চেষ্টাও করেছেন। তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি। উল্টে বমি করে ভাসিয়েছে। খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম, পর্যাপ্ত জল না খাওয়ার জন্য শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া স্বাভাবিক। তবে নিয়মিত জলে ভেজানো ড্রাই ফ্রুট্‌স খেলে এই ধরনের সমস্যা বশে রাখা যায়। আর এই খাবার খেতে শিশুরা খুব একটা আপত্তিও করে না।

১) কিশমিশ: ফাইবার, সর্বিটল এবং টারটারিক অ্যাসিডের মতো প্রয়োজনীয় বেশ কিছু উপাদান রয়েছে কিশমিশে। তা কোষ্ঠ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

 

২) আলুবোখরা: প্রাকৃতিক ‘ল্যাক্সেটিভ’ হিসাবে পরিচিত আলুবোখরা। জলে ভেজানো আলুবোখরা বা সেই জল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়।

৩) শুকনো ডুমুর: সহজপাচ্য ফাইবারের উৎস হল শুকনো ডুমুর। জলে ভেজানো ডুমুর তাই অন্ত্র ভাল রাখতে বিশেষ ভাবে কার্যকর। তা ছাড়া, সেলুলোজ় এবং পেক্‌টিন নামক দু’টি ল্যাক্সেটিভ রয়েছে আলুবোখরায়। যা কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে।

৪) খেজুর: প্রাকৃতিক শর্করা এবং ফাইবারের উৎস হল খেজুর। কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখতে এই দু’টি উপাদানের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। তা ছাড়া, খেজুরে রয়েছে পটাশিয়াম। হজম সংক্রান্ত সমস্যা হলে তা-ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।

 

৫) খোবানি: কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখতে নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে জলে ভেজানো খোবানি। ফাইবার এবং প্রাকৃতিক সর্বিটলে সমৃদ্ধ এই ফল শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।