জেনে নিন, কোন ৫ খাবার টেস্টোস্টেরোনের ক্ষরণ বাড়ায়? রাখে পুরুষদের শরীর শরীর ফিট

19th February 2024 10:25 pm Country News
জেনে নিন, কোন ৫ খাবার টেস্টোস্টেরোনের ক্ষরণ বাড়ায়?  রাখে পুরুষদের শরীর শরীর ফিট


শরীরে স্ফূর্তি আনতেই হোক কিংবা যৌনজীবন সুখী রাখতে— পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের যথাযথ ক্ষরণ হওয়া ভীষণ জরুরি। পেশির সুগঠনের কাজেও সাহায্য করে এই হরমোন। জীবনযাত্রায় নানা অনিয়ম, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মদ্যপানের মতো নানা কারণে অনেকের শরীরেই টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ কমে যায়। এ সব ক্ষেত্রে অনেকেই হরমোনের ইনজেকশন বা ওষুধের সাহায্য নেন, যা কোনও কোনও ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হতে পারে। অথচ স্বাভাবিক উপায়েও এই হরমোনের ক্ষরণ বাড়ানো যায়। কী কী খাবার খেলে শরীরে এই হরমোনের মাত্রা বাড়তে পারে, রইল হদিস।

উদ্ভিজ দুধ: সয়া, আমন্ড, ওট্‌সের দুধ শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। যাঁদের ল্যাকটোজ়ে অ্যালার্জি রয়েছে, তাঁদের কাছে উদ্ভিজ দুধ কিন্তু ভাল বিকল্প হতেই পারে।

 

বেদানা: অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর বেদানা প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ শরীরে হরমোনের মাত্রা ওঠানামা করার অন্যতম বড় কারণ। নিয়মিত বেদানা খেলে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে টেস্টোস্টেরনের মাত্রার উপরেও।

তেলযুক্ত মাছ: রুই, কাতলা, আর, বোয়াল, চিতলের মতো তেলযুক্ত মাছ ওমেগা-৩-ফ্যাটি অ্যাসিড ভরপুর মাত্রায় থাকে। হৃদ্‌যন্ত্র ভাল রাখার পাশাপাশি ওমেগা-৩-ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরে টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে।

ডিম: অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ভিটামিন ডি-তে ভরপুর ডিম শরীরে টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে। ডিম প্রোটিনের ভাল উৎস। রোজ ডায়েটে ডিম রাখা ভীষণ জরুরি।

 

কলা: শরীরে টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করতে রোজের ডায়েটে কলা রাখতে পারেন। নিয়ম করে কলা খেলেও শরীর চাঙ্গা থাকে, শরীরে স্ফূর্তি আসে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।