ওজন কমাতে এবার জলখাবারে রাখুন ওটসের স্মুদি! কী ভাবে বানাবেন, জানুন পদ্ধতি

20th February 2024 11:35 pm Country News
ওজন কমাতে  এবার জলখাবারে রাখুন ওটসের স্মুদি! কী ভাবে বানাবেন, জানুন পদ্ধতি


সাম্প্রতিক কালে ‘ওবেসিটি’ বা ওজন বৃদ্ধি অন্যতম এক জটিল রোগের আকার ধারণ করেছে। বাচ্চা থেকে বয়স্ক, কমবেশি সবাই এই রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। সেই সঙ্গেই শরীরে বাসা বাঁধছে আরও বিভিন্ন রোগ। কারণ অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পেলে শরীরে অনেক রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। তখন খাদ্যাভাস ও জীবনযাত্রায় অনেক নিয়ন্ত্রণ আনতে হয়।

 

কিন্তু অনেকেই আছেন, যাঁরা কাজের চাপে রোজ সকালে জলখাবার তৈরি করার সময় পান না। আর নিয়মিত জলখাবার না খেলে ওজন তো বাড়বেই। তবে ওজন হ্রাসের ক্ষেত্রে ব্রেকফাস্টে থাকতে হবে প্রোটিন-ফাইবার-ফ্যাট- কার্বস আর এই সব কিছু পরিমাণ মতো থাকে ওটসে।

 

ওটসে প্রচুর ফাইবার এবং অ্যাভিন্যানথ্রামাইড থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। এ ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন-বি সহ আরও অনেক পুষ্টি ওটসে থাকে। আর থাকে বেটা গ্লুকোন। যা শরীরে ব্যাড কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। ওটসের বেটা-গ্লুকোন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ওটসে থাকা ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। তাই সকালের জলখাবারের জন্যে রাখতে পারেন ওটসের স্মুদি।

 

কী ভাবে বানাবেন ওটসের স্মুদি?

কলা-চকোলেট স্মুদি:

 

উপকরণ: ওটস, কলা, চকোলেট, খেজুর, ড্রাই ফ্রুটস, ভিডাস্লিম প্রোটিন পাউডার

 

প্রণালী: প্রথমে কিছুটা পরিমাণ ওটস শুকনো কড়াইতে ভেজে রেখে দিন। তারপর ১/৪ কাপ ভেজে রাখা ওটস, ১টি কলা, বীজ বের করা খেজুর ২টো, ১ চা চামচ চকোলেটের গুঁড়ো এবং সঙ্গে এক চামচ ভিডাস্লিম প্রোটিন পাউডার মিশিয়ে নিন। এ বার সব কিছু ব্লেন্ডারে নিয়ে ১ কাপ জল দিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। তার পরে উপরে ড্রাই ফ্রুটস ছড়িয়ে খেয়ে নিন। অনেক ক্ষণ পেটও ভর্তি থাকবে।

আপেল-নাট স্মুদি:

 

উপকরণ: ওটস,আপেল, খেজুর, পিনাট বাটার, ভিডাস্লিম প্রোটিন পাউডার

 

প্রণালী: প্রথমে কিছুটা পরিমাণ ওটস শুকনো কড়াইতে ভেজে রেখে দিন। তার পরে ১/৪ কাপ ভেজে রাখা ওটস, বীজ বের করা খেজুর ২টো, ১ চামচ আনসুইটেনড পিনাট বাটার (না থাকলে ভাজা বাদাম ১০-১২টা), ১টি আপেল টুকরো করে কাটা, সঙ্গে এক চামচ ভিডাস্লিম প্রোটিন পাউডার নিয়ে ভাল ভাবে সব কিছু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। ব্যস, তৈরি আপেল-নাট স্মুদি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।