৫ কাজ: মাইক্রোওয়েভে করে নিলে সময়ও বাঁচে আর হেঁশেলের কাজেও সুবিধা হয়

24th February 2024 12:52 pm Country News
৫ কাজ: মাইক্রোওয়েভে করে নিলে সময়ও বাঁচে আর হেঁশেলের কাজেও সুবিধা হয়


অফিসে বেরোনোর তাড়াহুড়োর সময়ে একা হাতে রান্নার জোগাড় করা, শাকসব্জি কাটা, ধোয়া, মশলা বাটা— ইত্যাদি যথেষ্ট ঝক্কির কাজ। এ দিকে, অনেক শখ করে বেকিং করবেন বলে একটি মাইক্রোওয়েভ অভেন কিনেছেন বটে। তবে সময়ের অভাবে ওই যন্ত্রটিতে খাবার গরম করা ছাড়া আর বিশেষ কিছুই করা হয় না। অথচ সময় বাঁচাতে এই যন্ত্রটি আপনি হেঁশেলের নানা কাজেই ব্যবহার করতে পারেন। কোটা, বাটা, সেদ্ধ করার মতো নিত্যদিনের এমন অনেক কাজ সহজ করে ফেলা যায় এই অভেনে, জানতেন?

১) লেবু থেকে রস বার করার সময় অর্ধেক রস লেবুতেই থেকে যায়। একটি বাটিতে লেবু দু’টুকরো করে কেটে মাইক্রোওয়েভে ২০ সেকেন্ড ঘুরিয়ে নিন। তার পর দেখবেন সহজেই লেবুর রস বেরিয়ে আসছে, খুব বেশি ঝক্কি হচ্ছে না।

 

২) পেঁয়াজ কাটতে গেলেই কেঁদেকেটে একাকার অবস্থা হয় সবার। তার উপর বাড়িতে অতিথি এলে একসঙ্গে অনেকখানি পেঁয়াজ কাটা অনেক ঝক্কির কাজ। পেঁয়াজের খোঁসা ও ধার ছাড়িয়ে দু’টুকরো করে নিন। এ বার ৩০ সেকেন্ডের জন্য পেঁয়াজগুলি মাইক্রোওয়েভে গরম করে নিন। তার পরে কাটুন। চোখে আর জল আসবে না।

৩) চিড়েভাজা, চানাচুর কিংবা আলুর চিপ্‌স বাক্সে ভরে অনেক দিন রেখে দিলে নরম হয়ে যায়। তখন ফেলে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। এ ক্ষেত্রে একটি পেপার ন্যাপকিনে সেগুলি মুড়িয়ে ৩০ সেকেন্ড মাইক্রোওয়েভে গরম করে নিন। তা হলেই আবার মুচমুচে হয়ে যাবে মুখোরোচক খাবারগুলি।

৪) রসুনের খোসা ছাড়াতে বিরক্তি লাগে? রসুনের কোয়াগুলি মাইক্রোওয়েভে ৩০ সেকেন্ড ঘুরিয়ে নিন। তা হলেই সহজে ছাড়িয়ে ফেলতে পারেন রসুন।

 

৫) বাসি রুটি ফ্রিজে রাখলেই শক্ত হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে রুটির উপর সামান্য জল ছিটিয়ে ৩০ সেকেন্ড মাইক্রোওয়েভে ঘুরিয়ে নিলেই একেবারে টাটকা হয়ে যাবে বাসি রুটিগুলি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।