খেজুরের পুষ্টিগুণ অনেকেরই জানা, কিন্তু রূপচর্চায়ও কাজে লাগানো যায়, জানতেন কি?

25th February 2024 3:22 pm Country News
খেজুরের পুষ্টিগুণ অনেকেরই জানা, কিন্তু রূপচর্চায়ও কাজে লাগানো যায়, জানতেন কি?


অতিরিক্ত শুষ্ক বা তৈলাক্ত ত্বকে খুব বেশি স্ক্রাব ব্যবহার করা যায় না। স্ক্রাবের শক্ত দানা তৈলগ্রন্থিগুলোকে সক্রিয় করে তোলে। আবার অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকে স্ক্রাবের দানা ঘষলে ক্ষতি হতে পারে। স্পর্শকাতর ত্বকে স্ক্রাব নৈব নৈব চ! তবে এমন অনেক উপাদানই রয়েছে যা স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করা যায়। নেটপ্রভাবী এবং পুষ্টিবিদ সোনিয়া নারাং বলছেন, প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর হিসেবে খেজুর কিন্তু বেশ উপকারী। কাঁচা দুধ এবং খেজুরের মিশ্রণ ত্বকের কোন কাজে লাগে?

১) আর্দ্রতা

 

ভিটামিন এবং খনিজে ভরপুর খেজুর ত্বক আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। কাঁচা দুধের সঙ্গে মেশালে তা আরও বেশি কার্যকর হয়ে ওঠে।

২) অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি

 

খেজুরের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের পরিমাণ বেশি। যা ফ্রি র‌্যাডিক্যালের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ত্বকে প্রদাহের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে রাখে এই খেজুর।

৩) পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখে

 

পিএইচে হেরফের হলে ত্বকের অস্বস্তি বেড়ে যেতে পারে। ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক বা অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়ে পড়তে পারে। তাই বাজার থেকে কেনা স্ক্রাব বা এক্সফোলিয়েটর ব্যবহার না করে খেজুর দিয়ে তৈরি ঘরোয়া স্ক্রাব ব্যবহার করাই যায়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।