গরম পড়তে না পড়তেই আখের রসে চুমুক দিচ্ছেন? এই রস কি সকলের জন্য নিরাপদ?

6th March 2024 5:34 pm Country News
গরম পড়তে না পড়তেই আখের রসে চুমুক দিচ্ছেন? এই রস কি সকলের জন্য নিরাপদ?


মেট্রো স্টেশন থেকে বেরিয়েই এক গ্লাস আখের রস খেয়ে অফিসে ঢোকেন। ভাত খাওয়ার পর ফল খাওয়া ভাল। ছুটির দিন ছাড়া নানা ধরনের ফল সাজিয়ে খাওয়ার সময় হয় না। তাই ফলের রসই ভরসা। তবে অন্যান্য ফলের মধ্যে থেকে আলাদা করে আখ বেছে নেওয়ার কারণ তার পুষ্টিগুণ। আবার, গরমকালে পিপাসা মেটাতে শুধু জল বা কৃত্রিম চিনি দেওয়া পানীয়ের চেয়ে ঢের ভাল আখের রস। কিন্তু প্রতি দিন নিয়ম করে আখের রস খাওয়া কি ভাল? সকলেই কি তা খেতে পারেন?

পুষ্টিবিদেরা বলছেন, বিভিন্ন রকম খনিজ এবং গ্লুকোজ়ে সমৃদ্ধ আখের রস তৎক্ষণাৎ শরীরে বল আনতে দারুণ কাজ করে। শুধু পিপাসা মেটানোই নয়, ইলেক্ট্রোলাইটের সমতা বজায় রাখতেও সাহায্য করে এই রস। ফলে ডিহাইড্রেটেড হওয়ার ভয় থাকে না। আখের মধ্যে রয়েছে ফ্রুক্টোজ় এবং গ্লুকোজ়। এই প্রাকৃতিক শর্করা শরীরের জন্য নিঃসন্দেহে ভাল। পাশাপাশি আখের রসে যে পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট রয়েছে, তা অন্য কোনও ফলের রসে নেই। প্রচণ্ড কায়িক পরিশ্রম করলে বা খুব ক্লান্ত লাগলে কৃত্রিম ‘এনার্জি ড্রিঙ্ক’-এর পরিবর্তে এক গ্লাস আখের রস খাওয়াই যায়।

তবে, স্বাস্থ্যকর এই রস কিন্তু রোজ খাওয়া যায় না। কারণ, কতটা আখের রস প্রয়োজন, তা নির্ভর করবে ওই ব্যক্তির বয়স এবং কায়িক শ্রমের পরিমাণ এবং শারীরিক পরিস্থিতির উপর। যাঁদের ডায়াবিটিস রয়েছে কিংবা রক্তে শর্করার মাত্রা বার বার ওঠা-নামা করে, তাঁদের জন্য আখের রস ভাল নয়। হার্ট কিংবা স্থূলত্বের কোনও সমস্যা থাকলে আখের রস না খাওয়াই ভাল।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।