সকালে উঠে এই ৫ পানীয়ে চুমুক দিলেই বাড়বে বিপাকহার, কমবে আপনার ওজন

10th March 2024 9:23 am Country News
সকালে উঠে এই ৫ পানীয়ে চুমুক দিলেই বাড়বে বিপাকহার, কমবে আপনার ওজন


সকাল কী ভাবে শুরু করছেন, তার উপর নির্ভর করছে সারা দিন শরীরের হাল কেমন থাকবে। ঘুম থেকে উঠেই অফিস বেরোনোর তাড়া, তার পর কাজকর্মের বিপুল চাপ, তা থেকে উদ্বেগ— সব মিলিয়ে দিনের শেষে ক্লান্তি ঘিরে ধরা স্বাভাবিক। বাড়ি ফিরতেই জমিয়ে সিনেমা দেখতে বসার বদলে ঘুমে চোখ ঢুলে আসে। এমন ভাবেই কেটে যায় অনেকগুলি দিন। জীবন যাপনে রোজকার নানা অনিয়মের কারণে ওজনও বশে থাকছে না কিছুতেই। তাই সকাল শুরু করতে হবে একটু অন্য ভাবে। সকালের রুটিনের উপর নির্ভর করে, ওজন আদৌ বশে থাকবে কি না। বিপাকহার বাড়িয়ে তোলাও ওজন কমানোর একটি উপায়। তাই শুধু জল না খেয়ে সকালের প্রথম ডায়েটে থাকুক কয়েকটি পানীয়, যা ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

গ্রিন টি: এই চায়ে রয়েছে ভরপুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ক্যাটেচিন, ইপিগ্যালোক্যাটেচিন-এর মতো উপাদান। ওজন নিয়ন্ত্রণে গ্রিন টি-র ভূমিকা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণা জানাচ্ছে, গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাটেচিন বিপাকহার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফলে পেটে জমে থাকা মেদ ঝরে দ্রুত। হজমের গোলমাল নিয়ন্ত্রণে থাকলে ওজন কমানোও সহজ হয়ে যায়।

 

জিরের জল: এক গ্লাস জলে এক চা চামচ সাদা জিরে ভিজিয়ে রাখুন। সারা রাত ভিজিয়ে রাখার পর সকালে সেই জলটা ছেঁকে ফুটিয়ে নিন। এ বার তাতে সামান্য লেবু মিশিয়ে ঈষদুষ্ণ অবস্থায় খেয়ে নিন । জিরের মধ্যে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকায় তা হজমে সাহায্য করে। শরীর থেকে বাড়তি টক্সিন বার করে বিপাক ক্রিয়ার হারও বৃদ্ধি করে জিরে।

 

আদা-হলুদ চা: একটি পাত্রে এক কাপ জল, আধ চা-চামচ হলুদ গুঁড়ো ও আদা কুচি দিয়ে মিনিট পাঁচেক ফুটিয়ে নিন। এই 'চা' রোজকার ডায়েটে দু’বার রাখতেই পারেন। এই দুই উপাদানই বিপাকহার বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। পেটের চর্বি ঝরাতে এই পানীয় দারুণ উপকারী।

 

দারচিনি জল: তরকারি হোক, কেক হোক কিংবা স্মুদি— হাজার রকম পদে এই মশলার ব্যবহার। কিন্তু ওজন কমানোতেও যে দারচিনি সিদ্ধহস্ত, সেই খবর অনেকেরই অজানা। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টযুক্ত এই মশলা দিয়ে রোজ চা বানিয়ে খান। দারচিনি শরীরের বিপাক হার বাড়ায়। পাশাপাশি, ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

 

মেথি জল: ওজন ঝরানোর চেষ্টায় থাকলে এই জল কাজে লাগতে পারে। মেথিতে অনেকটা পরিমাণে ফাইবার থাকে। সকালটা মেথি জল দিয়ে শুরু করলে অনেক ক্ষণ পেট ভরাট থাকে। অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রতি ইচ্ছেও কমে যায়। ফলে সকালে উঠে এক কাপ মেথি জল খেলে অনেকটাই ওজন ঝরার সম্ভাবনা থাকে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।