খুদেকে দুধ খাওয়াতে গেলেই ঝামেলা! বেড়ে ওঠার সময়ে দুগ্ধজাত কোন খাবারগুলি বিকল্প হতে পারে?

31st March 2024 7:23 pm Country News
খুদেকে দুধ খাওয়াতে গেলেই ঝামেলা! বেড়ে ওঠার সময়ে দুগ্ধজাত কোন খাবারগুলি বিকল্প হতে পারে?


বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো নিয়ে বাড়িতে দু’বেলা অশান্তি। ভাত, রুটি যদিও বা খাওয়ানো যায়, দুধ সে কিছুতেই খাবে না। অথচ বাচ্চাদের বাড়বৃদ্ধির সময়ে শারীরিক, মানসিক বিকাশের জন্য দুধের মতো পুষ্টিকর পানীয় খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। দুধের মধ্যে ক্যালশিয়াম, প্রোটিন, নানা রকমের ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখা, দাঁত শক্ত করা থেকে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলা— দুধের গুণে সবই সম্ভব। তবে, বেশির ভাগ শিশুই দুধ খেতে খুব একটা পছন্দ করে না। সে ক্ষেত্রে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। হাড় দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। যদিও পুষ্টিবিদেরা বলছেন, দুধের কোনও বিকল্প হতে পারে না। তবু একান্ত যদি বাচ্চারা দুধ খেতে না চায়, সে ক্ষেত্রে দুগ্ধজাত তিন খাবার খুদেকে খাওয়ানো যেতে পারে।

 

১) ইয়োগার্ট বা দই:

 

দুধ না খেলেও নানা রকম ফলের কৃত্রিম ক্বাথ দেওয়া ইয়োগার্ট খেতে কিন্তু খুদেরা ভালই বাসে। চিকিৎসকেরা বলছেন, প্রোটিন, ক্যালশিয়াম, ভিটামিন বি ১২-এর মতো প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে ইয়োগার্টে। পাশাপাশি, শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি মজবুত করতেও এই খাবারের ভূমিকা রয়েছে।

 

২) চিজ়:

 

পিৎজ়া হোক বা পাস্তা, বাচ্চাদের মধ্যে চিজ় দেওয়া খাবার ভীষণই জনপ্রিয়। দুধ পড়ে থাকলেও দুধ থেকে তৈরি চিজ় কিন্তু একটুও নষ্ট করে না তারা। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, চিজ়ের মধ্যে ক্যালশিয়াম, প্রোটিন, ফসফরাসের মতো উপাদান রয়েছে। যা হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে। স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকলাপ এবং শক্তির জোগান অব্যাহত রাখতে ডায়েটে চিজ় রাখা যেতেই পারে।

 

৩) পনির:

 

দুধ থেকে তৈরি ছানা খেতেও খুদেরা ভালবাসে না। কিন্তু সেই ছানার বদলে যদি পনিরের মুখরোচক কোনও পদ রেঁধে দিতে পারেন, কোনও ঝক্কি ছাড়াই তারা খেয়ে নেবে। চিলি চিকেনের বদলে চিলি পনির, পনিরের ভুজিয়া, পনির-পরোটা, পনিরের টিক্কা কিংবা কবাব তৈরি করে দিতে পারলে তো কথাই নেই।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।