দুই ছেলেকে সামলেও চোখমুখে ক্লান্তির ছাপ পড়তে দেন না করিনা, কী ভাবে যত্ন নেন ত্বকের?

6th April 2024 12:09 pm Country News
দুই ছেলেকে সামলেও চোখমুখে ক্লান্তির ছাপ পড়তে দেন না করিনা, কী ভাবে যত্ন নেন ত্বকের?


পর্দায় ইদানীং কম দেখা যায় তাঁকে। তবে পর্দায় এলে সমস্ত নজর কেড়ে নেন নিজের দিকে। তিনি করিনা কপূর খান। তার অন্যতম উদাহরণ সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘ক্রিউ’। কৃতি শ্যানন এবং তব্বু থাকলেও করিনা নজর কেড়েছেন আলাদা করে। তবে শুধু পর্দায় নয়, বাস্তবেও করিনা ততটাই চনমনে। দুই ছেলেকে সামলেও যে নিজেকে যে ভাবে পরিপাটি রেখেছেন, তা সত্যিই প্রশংসার। ৪৩-এও করিনা এখনও যেন সেই ‘কভি খুশি কভি গম’-এর পূজা। গ্ল্যামার উপচে পড়ছে সইফ-ঘরনির। কোন রুটিন মেনে এমন সুন্দর তিনি?

জল খেতে ভোলেন না

 

সারা দিনে যতই ব্যস্ততা থাকুক, জল খেতে ভোলেন না করিনা। বাইরে থেকে যত্ন নেওয়ার বদলে ভিতর থেকে ত্বকের যত্ন নেওয়ায় বিশ্বাসী তিনি। তাই কিছু সময় অন্তর জল খান করিনা। এর ফলে শরীরের যাবতীয় টক্সিন বাইরে বেরিয়ে যায়। ত্বক মসৃণ এবং নরম হয়।

 

ক্লিনজ়িং

 

দিনে দু’বার ক্লিনজ়ার ব্যবহার করেন করিনা। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ক্লিনজ়িং করিনার রোজের রূপরুটিনের অন্যতম ধাপ। এর ফলে ত্বকে জমে থাকা নোংরা, তেলও বেরিয়ে যায়। ত্বক ভিতর থেকে সতেজ হয়ে ওঠে।

 

ময়েশ্চারাইজ়ারের ব্যবহার

 

ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে জল খাওয়ার পাশাপাশি নিয়ম করে ময়েশ্চারাইজ়ারও ব্যবহার করেন করিনা। ময়েশ্চারাইজ়ার ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। ত্বক কোমল এবং মসৃণ রাখতে অন্য কোনও প্রসাধনী নয়, ময়েশ্চারাইজ়ারের উপরেই ভরসা রাখেন করিনা।

 

সানস্ক্রিন

 

শুটিংয়ের তাড়াহুড়োতেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে কোনও দিন ভুল হয় না অভিনেত্রীর। করিনার ব্যাগে কিছু থাক বা না থাক, একটা সানস্ক্রিনের বোতল থাকেই। এসপিএফ ৩০-এর সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন তিনি। আউটডোর শুটিং থাকলে করিনা প্রতি দু'ঘণ্টা অন্তর সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।