দুই সন্তানকে সামলেও নজরকাড়া ফিট অনুষ্কা! রোজ সকালে কী খান বিরাট-ঘরনি?

21st April 2024 7:37 pm Country News
দুই সন্তানকে সামলেও নজরকাড়া ফিট অনুষ্কা! রোজ সকালে কী খান বিরাট-ঘরনি?


মা হয়ে যাওয়ার পর জীবনে বদলে আসে। শুধু জীবনে নয়, সন্তানের জন্মের পর চেহারাতেও পরিবর্তন আসে মায়েদের। কিছু দিন আগেই দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন অনুষ্কা শর্মা। একরত্তি ছেলেকে নিয়েই তাঁর দিন কেটে যাচ্ছে। মেয়ে ভামিকা আর ছেলে অকায়ের যত্ন-আত্তির ভার অনুষ্কারই। সেই সঙ্গে পেশাগত ব্যস্ততা তো আছেই। এত দায়িত্বের ভিড়ে নিজেকে ফিট রেখেছেন অনুষ্কা। বলিপাড়ায় অনুষ্কার ফিটনেস অন্যতম চর্চার বিষয়। মা হয়ে যাওয়ার পরেই সেই চর্চায় জল ঢালতে দেননি অনুষ্কা। দায়িত্ব বাড়লেও চেহারায় পরিবর্তন আসতে দেননি অনুষ্কা। শরীরচর্চা তো আছেই, তবে ওজন ধরে রাখতে খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে নিয়ম মেনে চলেন অভিনেত্রী। দিন শুরু করেন ইডলি খেয়ে।

দক্ষিণ ভারতীয় খাবারের প্রতি যে বিশেষ ভালবাসা আাছে অনুষ্কার, তা নয়। কিন্তু রোজ সকালের খাবারে ইডলি থাকে। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই সে কথা স্বীকার করেছেন অভিনেত্রী। দুটো ইডলি এবং এক বাটি সম্বর— অনুষ্কার রোজ সকালের জলখাবার এটাই। ইডলি খেয়েই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন তিনি। কিন্তু কেন? চেহারা ছিপছিপে রাখতে ইডলির ভূমিকা কী?

 

সাধারণ মাপের একটি ইডলিতে থাকে ৩৯-৪০ ক্যালোরি, ২ গ্রাম ফাইবার, ২ গ্রাম প্রোটিন এবং ৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট৷ এ ছাড়া ইডলিতে ব্যবহৃত মশলা ও পুদিনা পাতাতেও থাকে ওজন কমানোর নানা রসদ। অনেকেই চালের বদলে রাগি দিয়ে তৈরি করেন ইডলি। তাতে আয়রনের মাত্রা বেশি পাওয়া যায়। ফলে ওজন বশে রাখতে চাইলে অনুষ্কার মতো আপনিও ইডলি খাওয়া শুরু করতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।