গ্যাস অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে চান? এই ঘরোয়া কৌশলেই সমাধান পান

27th April 2024 7:13 pm Country News
গ্যাস অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে চান? এই ঘরোয়া কৌশলেই সমাধান পান


​১. পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান করা চাই​

কোলোনকে পরিষ্কার করতে চাইলে আপনাকে প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৩ লিটার জলপান করতেই হবে। এর মাধ্যমেই মলের সঙ্গে বেরিয়ে যাবে কোলোনে জমে থাকা ময়লা। তবে জলপান করার পাশাপাশি ওআরএস ও ডাবের জলও পান করতে পারেন। এতেও মিলবে উপকার।কিন্তু ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বা হার্ট ফেলিওরের মতো গুরুতর অসুখে আক্রান্ত রোগীরা বেশি পরিমাণে জলপান করতে যাবেন না।বরং চিকিৎসকের পরামর্শ মতোই জলপান করুন।

২. হাই ফাইবার ডায়েটেই হবে সমস্যার সমাধান

নিয়মিত ফাইবার যুক্ত খাবার খেলে শরীরের একাধিক উপকার মিলবে। এক্ষেত্রে সুগার, প্রেশার, কোলেস্টেরল সহ বিভিন্ন ক্রনিক রোগ থাকবে নিয়ন্ত্রণে। তবে জানলে অবাক হয়ে যাবেন, পেটের স্বাস্থ্য উদ্ধারেও কিন্তু অত্যন্ত কার্যকরী ফাইবার যুক্ত খাবার। এমনকী এই ধরনের খাবার ডায়েটে রাখলে অন্ত্রের ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাই বিশেষজ্ঞরা বারবার করে শাক, সবজি, ফলের মতো ফাইবার যুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

৩. ফলের জুস গলায় ঢালুন​

কোলোনের সমস্ত ময়লা বের করে দিতে চাইলে ডায়েটে ফ্রুট জুস রাখতেই হবে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন ধরনের ফলের জুস গলায় ঢাললেই কোলোনে জমে থাকা ময়লা ফ্লাশ আউট হয়ে যাবে। এমনকী ফ্রুট জুস খেলে খাবার হজমও হয় তাড়াতাড়ি। তাই পেটের স্বাস্থ্য বজায় রাখার স্বার্থে নিয়মিত জুস খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে হেলথলাইন।তবে বোতলবন্দি জুস কিনে খাওয়ার বদলে বাড়িতেই তাজা ফলের জুস বানিয়ে নিতে পারেন। এতেই উপকার মিলবে অনেকটাই বেশি।

​৪. রেজিস্টেন্স স্টার্চ পাতে রাখা চাই​

কলা, ডাল, আলুর মতো খাবারে রয়েছে ভরপুর পরিমাণে রেজিস্টেন্স স্টার্চ। আর এই উপাদানটি পেটের হিতে কার্যকরী। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত এই ধরনের খাবার খেলে অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা অনেকটাই বৃদ্ধি পায়। তাই রোজকার ডায়েটে কলা, আলুর মতো রেজিস্টেন্স স্টার্চ যুক্ত খাবার রাখতে ভুলবেন না যেন। তবে ডায়াবিটিস থাকলে এই ধরনের খাবার থেকে দূরত্ব রাখা উচিত। নইলে সুগার হুট করে অনেকটাই বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।