১. পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান করা চাই
কোলোনকে পরিষ্কার করতে চাইলে আপনাকে প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৩ লিটার জলপান করতেই হবে। এর মাধ্যমেই মলের সঙ্গে বেরিয়ে যাবে কোলোনে জমে থাকা ময়লা। তবে জলপান করার পাশাপাশি ওআরএস ও ডাবের জলও পান করতে পারেন। এতেও মিলবে উপকার।কিন্তু ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বা হার্ট ফেলিওরের মতো গুরুতর অসুখে আক্রান্ত রোগীরা বেশি পরিমাণে জলপান করতে যাবেন না।বরং চিকিৎসকের পরামর্শ মতোই জলপান করুন।
২. হাই ফাইবার ডায়েটেই হবে সমস্যার সমাধান
নিয়মিত ফাইবার যুক্ত খাবার খেলে শরীরের একাধিক উপকার মিলবে। এক্ষেত্রে সুগার, প্রেশার, কোলেস্টেরল সহ বিভিন্ন ক্রনিক রোগ থাকবে নিয়ন্ত্রণে। তবে জানলে অবাক হয়ে যাবেন, পেটের স্বাস্থ্য উদ্ধারেও কিন্তু অত্যন্ত কার্যকরী ফাইবার যুক্ত খাবার। এমনকী এই ধরনের খাবার ডায়েটে রাখলে অন্ত্রের ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাই বিশেষজ্ঞরা বারবার করে শাক, সবজি, ফলের মতো ফাইবার যুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
৩. ফলের জুস গলায় ঢালুন
কোলোনের সমস্ত ময়লা বের করে দিতে চাইলে ডায়েটে ফ্রুট জুস রাখতেই হবে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন ধরনের ফলের জুস গলায় ঢাললেই কোলোনে জমে থাকা ময়লা ফ্লাশ আউট হয়ে যাবে। এমনকী ফ্রুট জুস খেলে খাবার হজমও হয় তাড়াতাড়ি। তাই পেটের স্বাস্থ্য বজায় রাখার স্বার্থে নিয়মিত জুস খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে হেলথলাইন।তবে বোতলবন্দি জুস কিনে খাওয়ার বদলে বাড়িতেই তাজা ফলের জুস বানিয়ে নিতে পারেন। এতেই উপকার মিলবে অনেকটাই বেশি।
৪. রেজিস্টেন্স স্টার্চ পাতে রাখা চাই
কলা, ডাল, আলুর মতো খাবারে রয়েছে ভরপুর পরিমাণে রেজিস্টেন্স স্টার্চ। আর এই উপাদানটি পেটের হিতে কার্যকরী। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত এই ধরনের খাবার খেলে অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা অনেকটাই বৃদ্ধি পায়। তাই রোজকার ডায়েটে কলা, আলুর মতো রেজিস্টেন্স স্টার্চ যুক্ত খাবার রাখতে ভুলবেন না যেন। তবে ডায়াবিটিস থাকলে এই ধরনের খাবার থেকে দূরত্ব রাখা উচিত। নইলে সুগার হুট করে অনেকটাই বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।