আকাশে কয়েক মাস ভাসতে পারবে এই বিলাসবহুল হোটেল থাকতে যাবেন নাকি ?

2nd May 2024 7:33 pm Country News
 আকাশে কয়েক মাস ভাসতে পারবে এই বিলাসবহুল হোটেল থাকতে যাবেন নাকি ?


বিমানে থাকবে বিলাসবহুল হোটেল। হোটেলটিতে পাঁচ হাজার অতিথি থাকতে পারবেন। বিশ্বাস হচ্ছে না? সম্প্রতি 'স্কাই ক্রুজ' নামে একটি বিমানের নকশা প্রকাশ করা হয়েছে। বিমানটি আকাশে ওড়ার পর কয়েক মাস ভেসে থাকতে পারবে। ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে চলা এই উড়োজাহাজটিতে থাকবে পরমাণু শক্তিচালিত ২০টি ইঞ্জিন।বিমানটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে এটি মাসের মাসের পর ভাসমান অবস্থায় থাকতে পারে। যাত্রী ওঠানামা, বিমানের যান্ত্রিক সমস্যার দেখাশোনা, সবই হবে মাঝ আকাশে।বিমানটির আসল নকশা তৈরি করেছিলেন টনি হোমস্টন। সেই নকশার ওপর ভিত্তি করে হাসেম আলঘাইলি নামে এক ব্যক্তি ভবিষ্যতের বিমানের এই ভিডিওটি তৈরি করেছেন। ইউটিউবে ভিডিওটি শেয়ারও করেছেন হাসেম। তার মতে 'স্কাই ক্রুজ' পরিবহণ ব্যবস্থার ভবিষ্যতের চমক। এই উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন বিমানে চালকের দরকার নেই, এটি হবে স্বতন্ত্র।এই বিশালাকার বিমানটির অন্যান্য কাজের জন্য দরকার হবে প্রচুর সংখ্যক কর্মী। এতে থাকবে রেস্তোরাঁ, জিম, শপিং মল, সিনেমা হল, এমনকি সুইমিং পুলও। অনেকে বলেছেন, যদি একবার পরমাণু চুল্লিতে কোনো যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়, তাহলে বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়বে। যা সহজেই কোনো শহরকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে সক্ষম হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।