উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথমে দশে ৫৮ কৃতী একনজরে দেখে নিন পূর্ণাঙ্গ মেধাতালিকা

8th May 2024 7:02 pm Country News
উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথমে দশে ৫৮ কৃতী একনজরে দেখে নিন পূর্ণাঙ্গ মেধাতালিকা


মাধ্যমিকের ফলাফলের পুনরাবৃত্তি উচ্চ মাধ্যমিকেও। মেধাতালিকায় কলকাতাকে টেক্কা জেলার। এবারের প্রথম দশে ১৫ জেলা থেকে রয়েছেন মোট ৫৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৩৫ এবং ছাত্রী ২৩ জন। ১৩ জনই হুগলির। প্রথম দশে বাঁকুড়ার ৯ জন। চতুর্থ স্থানে কলকাতা। মেধাতালিকায় কলকাতার ৫ জন।পঞ্চম স্থানে পূর্ব বর্ধমান ও পূর্ব মেদিনীপুর।

একনজরে প্রথম দশে কারা?মেধাতালিকায় প্রথম স্থানে আলিপুরদুয়ারের ম্যাক উইলিয়ামস স্কুলের অভীক দাস। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। ৯৯.২ শতাংশ।

দ্বিতীয় স্থানে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের সৌম্যদীপ সাহা (৪৯৫)।তৃতীয় স্থানে মালদহের অভিষেক গুপ্ত (৪৯৪)।

চতুর্থ কোচবিহারের প্রতীচী রায় তালুকদার এবং চন্দননগরের স্নেহা ঘোষ। মেয়েদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন তাঁরা। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩।

পঞ্চম স্থানে ৭ জন: সায়ন্তন মাইতি (কাঁথি), সুস্বাতী কুন্ডু (বাঁকুড়া), সুত্তর্থীতা সরকার (মালদহ), সৌনক কর (কলকাতা), সানন্দা রায় (বীরভূম), অঙ্কিত পাল (বাঁকুড়া), অর্ণব কর্মকার (মালদহ)। প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯২।

ষষ্ঠ স্থানে ৮ জন। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১। রুদ্র দত্ত (হুগলি), শুভদীপ সিনহা মহাপাত্র (বাঁকুড়া), নিলয় চট্টোপাধ্যায় (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), মানস্বী চন্দ (কোচবিহার), সৌম্যজিৎ নন্দী (বীরভূম), অভ্রকিশোর ভট্টাচার্য (হুগলি), আফরিন মণ্ডল (পূর্ব বর্ধমান), অনিমেষ লায়েক (বাঁকুড়া)।

সপ্তম হয়েছেন ৫ জন: সৌমিক ধবল (বাঁকুড়া), ঋতব্রত দাস (হুগলি), বিদিশা সন্নিগ্রাহি (বাঁকুড়া), অঙ্কিতা সরকার (উত্তর দিনাজপুর), মহম্মদ সঈদ (হুগলি)। সকলের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯০।

অষ্টম হয়েছেন ৬ জন: অর্ঘ্যদীপ দত্ত (কলকাতা), অস্মিতকুমার মুখোপাধ্যায় (হুগলি), সোমশুভ্র কর্মকার (হুগলি), রুমা কোনার (বাঁকুড়া), কৌশিক ঘোষ (মুর্শিদাবাদ), সিঞ্চন দত্ত (বাঁকুড়া)। সকলের প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯।

নবম হয়েছেন ১১ জন: অন্বেষা দত্ত (আলিপুরদুয়ার), পৃথা দত্ত (হুগলি), পীতাম্বর বর্মন (উত্তর দিনাজপুর), অহন চক্রবর্তী (উত্তর ২৪ পরগনা), কুশল ঘোষ (নদিয়া), আদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), অর্পন গোস্বামী (বাঁকুড়া), অর্ক সাহা (দক্ষিণ ২৪ পরগনা)।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।