রাঁধুন নারকেল দুধে কাতলা তৈরির রেসিপি

13th May 2024 8:34 pm Country News
রাঁধুন নারকেল দুধে কাতলা তৈরির রেসিপি


কথায় আছে 'মাছে ভাতে বাঙালি'। আর নানা ধরনের মাছের মধ্যে অনেকেরই পছন্দ হলো কাতলা মাছ। অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন রেসিপি অনুযায়ী রান্না করেন এই মাছ। তবে আপনি চাইলেই আজ নারকেলে দুধ দিয়ে কাতলা মাছ রান্না করতে পারেন।নারকেলের দুধ দিয়ে তৈরি করা এই পদ একবার খেলে মুখে লেগে থাকবে সব সময়। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক রেসিপিটি-উপকরণ

১. কাতলা মাছের পেটি ৪টি

২. মরিচের গুঁড়া ২ চামচ

৩. হলুদ গুঁড়া ২ চামচ

৪. গোলমরিচ গুঁড়া ২ চামচ

৫. আদা বাটা ২ চামচ

৬. রসুন বাটা ২ চামচ

৭. কাঁচা আম বাটা ১টি

৮. নারকেল দুধ ১/৪ কাপ

৯. কারি পাতা

১০. সরিষার তেল পরিমাণমতো ও

১১. লবণ।

প্রণালী

> প্রথমে একটি বাটিতে মরিচের গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, গোলমরিচ গুঁড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা, কাঁচা আম বাটা, সামান্য সরিষার তেল ও পরিমাণমতো লবণ দিয়ে ভালো করে মেখে নিন।

> তারপর মাছের গায়ে মসলা মাখিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিন। পাত্রে অল্প তেল গরম করে মাছের টুকরো দিয়ে অল্প আঁচে রান্না শুরু করুন।মাছের একদিকে ২ চা চামচ নারকেল দুধ দিন। তারপর উল্টে অন্য পাশে আরও ২ চা চামচ নারকেল দুধ দিন।

> একই ভাবে প্রত্যেকটি টুকরো রান্না করতে করতে একটু একটু কারি পাতা দিয়ে দিতে পারেন। হয়ে গেলে পরিবেশন করুন সুস্বাদু নারকেল দুধে কাতলা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।