কুকারে কিছু রাঁধতে গেলেই উথলে পড়ছে? কী ভাবে আটকাবেন দেখুন

13th May 2024 8:36 pm Country News
কুকারে কিছু রাঁধতে গেলেই উথলে পড়ছে? কী ভাবে আটকাবেন দেখুন


পেশার কুকার, সংসারের কত কাজেই লাগে। কিন্তু দেখা গেল, ডাল সিদ্ধ করতে দিয়ে হাতের কাজ সারতে গিয়েছেন। এমন সময় কুকারে 'সিটি' দিতেই যাচ্ছেতাই কাণ্ড! প্রেশার কুকারের ছিপি আর ঢাকনার পাশ দিয়ে ডাল বেরিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু ডাল নয়, মাংস রান্নার সময়েও ঘটতে পারে একই ঘটনা। কীভাবে কমাবেন এই সমস্যা?>> প্রত্যেক বার রান্নার পর প্রেশার কুকারটিকে ভাল করে ধুয়ে নিন। কুকারের ছিপি কিংবা স্টিম ভাল্ভও নিয়ম করে পরিষ্কার করুন। কুসুম গরম জলে সাবান গুলে তাতে প্রেশার কুকারটিকে পনেরো মিনিটের মতো ভিজিয়ে রাখতে পারেন। তাতে পরিষ্কার করা সহজ হবে।

>> যে কোনও রান্না করার সময়ই যেন কিছুটা জায়গা ফাঁকা থাকে। বিশেষ করে দানা শস্য সেদ্ধ করার সময় খেয়াল রাখবেন যেন কুকারের ভিতর অন্তত এক তৃতীয়াংশ জায়গা ফাঁকা থাকে। না হলে ভিতরের তৈরি হওয়া বাষ্প বেশি হয়ে যাবে। ফলে জলীয় পদার্থ বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। একই কারণে কতটা জল দিচ্ছেন তা নিয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

>> প্রেশার কুকার ওয়াশারটিকে ঠিক করে না লাগালে কিংবা কোনোভাবে আলগা হয়ে থাকলে রান্নার সময়ে ভেতর থেকে ঝোল ও জল বেরিয়ে আসতে পারে। তাই ওয়াশার পুরনো হয়ে গেলে বা ওয়াশারটি ঢিলা হয়ে গেলে অবিলম্বে তা বদলানো দরকার। প্রতি বার ব্যবহারের পর কুকারের পাশাপাশি ওয়াশারটিকেও ভালো করে ধুয়ে রাখতে হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।