গলব্লাডারের যন্ত্রণায় কাতর কমেডিয়ান ভারতী সিং বড় সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের

13th May 2024 8:46 pm Country News
গলব্লাডারের যন্ত্রণায় কাতর কমেডিয়ান ভারতী সিং বড় সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের


সারাক্ষণ মঞ্চে যিনি সকলকে হাসিয়ে মাতিয়ে রাখেন এবার তিনি হাসপাতালের বেডে শুয়ে অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করছেন। আসলে গলব্লাডারে পাথর জমে অসম্ভব পেটে ব্যথা শুরু হয় ভারতী সিং- এর (Bharti Singh)। হাসপাতালে ভর্তি হলে অপারেশন করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসক। অস্ত্রোপচারের পর সমাজমাধ্যমের পাতায় এক ঝলক দেখা মিলেছে সেলিব্রেটি কমেডিয়ানের।ভারতী সিং সমাজমাধ্যমে বেশ সক্রিয়। তাঁর ভ্লগে, তিনি অনুরাগীদের সফল অস্ত্রোপচার সম্পর্কে জানিয়েছিলেন এবং গলব্লাডার স্টোনের মারাত্মক যন্ত্রণার মুহূর্তে অনুভূতিও ভাগ করে নিয়েছেন। ভারতী 'ডান্স দিওয়ানে'-তে মাধুরী দীক্ষিতের বিশেষ পর্বের জন্য তাঁর শ্যুটিং তাড়াহুড়ো করে শেষ করেছিলেন এবং তারপরই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যান। প্রাথমিকভাবে তিনি ভয় পেলেও পরে জানান সফল হয়েছে অপারেশন। নতুন ভিডিয়োতে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে ভারতী তাঁর আনন্দও প্রকাশ করছেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।