জিৎ ও রুক্মিণীর বুমেরাং ছবিতে আবীরের যোগসূত্র জেনে নিন ছবির নেপথ্য কাহিনি

27th May 2024 10:04 am Country News
জিৎ ও রুক্মিণীর বুমেরাং ছবিতে আবীরের যোগসূত্র জেনে নিন ছবির নেপথ্য কাহিনি


 জিত ও রুক্মিণী অভিনীত 'বুমেরাং' ছবিতে আবীরের প্রচ্ছন্ন উপস্থিতি রয়েছে। কিন্তু কী ভাবে? আবীরের বাবা ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায় 'পুনরায় রুবি রায়' নাটকটি মঞ্চস্থ করেছিলেন। নাটক লিখেছিলেন জিৎ সত্রাগ্নি। অভিনয় করেছিলেন রুমকি চট্টোপাধ্যায়, মোনালিসা চট্টোপাধ্যায় এবং দলের অন্য সদস্যেরা।নাটকের মুখ্যচরিত্র রোবটের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন আবীরের বোন মোনালিসা। বাংলার রঙ্গমঞ্চে প্রথম রোবো-কমেডি নাটকের তকমা পায় এই নাটক। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে রোবটের আগমন ঘটে এবং কী ভাবে সম্পর্কের মোড় অন্য দিকে ঘুরে যায়, তা হাসির ছলে তুলে ধরা হয়েছিল নাটকে। 'বুমেরাং' ছবির পরিচালক সৌভিক কুন্ডু সেই নাটক দেখা মাত্রই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, এই প্রেক্ষাপটে ছবি বানাবেন তিনি। ভাবা মাত্রই নিজের মতো করে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন পরিচালক। 'নিশা' চরিত্রের জন্য মুখ খুঁজছিলেন তিনি। এর পরে রুক্মিণীর সঙ্গে দেখা করতে যান সৌভিক এবং তাঁকেই এই চরিত্রের জন্য চূড়ান্ত করেন। এর আগে আনন্দবাজার অনলাইনকে রুক্মিণী জানিয়েছিলেন, আবীর শুধু মাত্র 'সুইজারল্যান্ড' ছবির সহ-অভিনেতা নন। তাঁদের পারিবারিক সম্পর্কও বেশ দৃঢ়। প্রসঙ্গত 'বুমেরাং' ছবি নিয়ে জোর চর্চা হয় টলিপাড়ার অন্দরে। পরিচালকের মতে, এটি 'সায়েন্স ফিকশন কমেডি' ছবি। কিন্তু 'বুমেরাং' ছবির সঙ্গে নাকি শাহিদ অভিনীত 'তেরি বাতোঁ মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া' ছবির গল্পের মিল রয়েছে । তবে পরিচালক স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, দু'টি ছবির প্রেক্ষাপট একেবারেই আলাদা। আগামী ৭ জুন মুক্তি পাবে 'বুমেরাং'।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।