রক্ত পরীক্ষা না করেই যেভাবে জানবেন আপনার ডায়াবেটিস আছে কি না? জেনেনিন কৌশল

16th June 2024 4:29 pm Country News
রক্ত পরীক্ষা না করেই যেভাবে জানবেন আপনার ডায়াবেটিস আছে কি না? জেনেনিন কৌশল


দীর্ঘ দিন ধরে ডায়াবিটিস আছে যাদের, তাদের নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার মধ্যেই থাকতে হয়। কিন্তু পারিবারিক ইতিহাস থাকলেও ডায়াবিটিস হয়নি ভেবে যারা নিশ্চিন্তে রয়েছেন, চুপিসারে কখন যে এই রোগ থাবা বসাবে তাদের শরীরে, তা বোঝা মুশকিল। দীর্ঘ দিন ধরে ডায়াবিটিস ধরা না পড়লে বা সঠিক চিকিৎসা না হলে কিডনি, লিভার, চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।শরীরে আরও বেশ কিছু লক্ষণ আছে, যেগুলি দেখলে বোঝা যায়, কেউ ডায়াবিটিসে আক্রান্ত হয়েছেন কি না।

১) সপ্তাহখানেক আগে শরীরের কোনো একটা জায়গা অনেকটা কেটে গেছে। দু-তিন দিনের মধ্যেই তা শুকিয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু ৭ দিন হয়ে গেল কিছুতেই তা সারতে চাইছে না। এই লক্ষণ কিন্তু রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে হতে পারে।

২) ইদানীং আবার প্রস্রাবের বেগের চোটে মাঝরাতে দু-তিন বার ঘুম ভেঙে যাচ্ছে। জল বেশি না খাওয়ার পরেও যদি এই সমস্যা হয়, বুঝতে হবে ডায়াবিটিস বাসা বেঁধেছে শরীরে।

৩) ঘন ঘন তেষ্টায় গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছে? এই লক্ষণও রক্তে শর্করার ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার একটি ইঙ্গিত হতে পারে।

৪) ডায়াবিটিসে আক্রান্ত হলে বার বার প্রস্রাবের ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পরিমাণে শর্করা এবং বিভিন্ন খনিজ বেরিয়ে যায়। এর ফলে ক্লান্ত লাগা স্বাভাবিক। কারণ ছাড়াই শরীর ক্লান্ত লাগলে সতর্ক হোন।

৫) দুপুরে পরিমাণ মতো সব কিছু খাওয়ার পরেও ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই খিদে পেয়ে যাচ্ছে? রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে কিন্তু সারা ক্ষণ খিদে পায়।

৬) ঘাড়, গলা, দুই বাহুমূলে কালো ছোপ পড়েছে? নিয়মিত ঘরোয়া টোটকায় ত্বকচর্চা করেও ফল মিলছে না? দীর্ঘ দিন ধরে রক্তে শর্করা বেশি থাকলে, শরীরের এই বিশেষ বিশেষ জায়গায় কিন্তু কালচে ছোপ পড়ে।

৭) রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে ঘন ঘন প্রস্রাব পায়। সেখান থেকে মূত্রাশয়, যৌনাঙ্গে সংক্রমণ হওয়া অস্বাভাবিক নয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।