সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ফলে আরও বিলম্ব হচ্ছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। এর জেরে শুনানি পর্ব থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের নির্ধারিত দিনও পিছিয়ে যেতে পারে বলে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে শুনানি ঠিক কতদিন পিছোবে বা কবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি নির্বাচন কমিশন।
গতকাল সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির তালিকা প্রকাশের পর ভোটারদের নথি জমা দেওয়ার জন্য অন্তত দশ দিনের সময় দিতে হবে। একই সঙ্গে ভোটারদের কাছ থেকে নেওয়া নথির প্রাপ্তি স্বীকার করাও কমিশনের জন্য বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।
এই পরিস্থিতিতে এখনও পর্যন্ত যেসব ভোটারকে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন জারি না হওয়া পর্যন্ত রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর কোনও নির্দেশ কার্যকর করতে পারছে না। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গাইডলাইন জারি হওয়ার পর যদি কেউ আগে শুনানিতে উপস্থিত না হতে চান, তবে তাঁদের ফের শুনানিতে হাজির হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
আগে সিদ্ধান্ত ছিল, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুনানি প্রক্রিয়া চলবে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই দুই তারিখই পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
প্রসঙ্গত, গতকালই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির আওতায় পড়া ভোটারদের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। পাশাপাশি শুনানি কেন্দ্রে বিএলএ-২দের উপস্থিত থাকার অনুমতিও দিয়েছে আদালত। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ আরও জানিয়েছে, শুনানির সময় ভোটারদের কাছ থেকে কোন কোন নথি নেওয়া হচ্ছে, তার প্রাপ্তি স্বীকার করতে হবে কমিশনকে। এছাড়াও এ দিন সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকেও জন্ম শংসাপত্রের নথি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।