রেলে ট্রেন ছাড়ার ১০ মিনিট আগেও কনফার্ম টিকেট পাওয়া যাবে IRCTC নতুন ব্যবস্থা চালু করেছে

3rd November 2023 9:55 am Country News
রেলে ট্রেন ছাড়ার ১০ মিনিট আগেও কনফার্ম টিকেট পাওয়া যাবে IRCTC নতুন ব্যবস্থা চালু করেছে


দূরের গন্তব্যে যাতায়াতের জন্য বহুমানুষ যাতায়াতের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করে থাকেন ট্রেনকে। তবে অনেক সময়ে দূরপাল্লার ট্রেনে টিকিটের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে বেশিরভাগই ট্রেনে উঠে বসার জায়গার জন্য টিটিকে বারবার অনুরোধ করে থাকেন। তবে এবার এই অনুরোধের পর্ব শেষ। এখন থেকে একটি অ্যাপ্লিকেশনের সূত্র ধরেই চলন্ত ট্রেনেই খুঁজে নিতে পারবেন নিজেদের বসার জায়গা।আইআরসিটিসি অ্যাপ- অগ্রসর প্রযুক্তির যুগে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট বুক করা উন্নতির একটা অংশ। আগের মত এখন ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য স্টেশনগুলিতে দীর্ঘ লাইন পড়ে না। তা লোকাল ট্রেনের টিকিট হোক কিংবা দূরপাল্লার। আগের মত ভিড় কোন কাউন্টারেই আর হয় না। বর্তমানে প্ল্যাটফর্মে থেকেও অনলাইনে টিকিট কাটার সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে অনলাইন টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে আইআরসিটিসি অ্যাপটি বহুল ব্যবহৃত।এই নির্দিষ্ট অ্যাপটির মাধ্যমে ট্রেনের টিকিট বুকিং করার পাশাপাশি বাস ও প্লেনের টিকিটও বুক করা যায়। এমনকি এই অ্যাপের সূত্র ধরে নির্ধারিত ষ্টেশনে নিজের খাবার অর্ডারও করা যায়। পাশাপাশি কোনো নির্দিষ্ট ট্রেনে কটা সিট ফাঁকা রয়েছে! সেটিও এই অ্যাপের মাধ্যমেই দেখা সম্ভব।আইআরসিটিসি অ্যাপে ট্রেনের ফাঁকা সিট দেখার পদ্ধতি-      ১) প্রথমে আইআরসিটিসি অ্যাপটি নিজের ফোনে নামিয়ে নিতে হবে।

২) এই অ্যাপ্লিকেশনে ঢুকে 'ট্রেন'এ ক্লিক করতে হবে।

৩) এরপর 'চ্যাট ভেকেন্সি'তে ক্লিক করতে হবে।

৪) এরপর যে ট্রেনে আসন পেতে চান সেই ট্রেনের নাম ও নম্বর লিখতে হবে।

৫) বোর্ডিং স্টেশনের নামও লিখতে হবে।

৬) এরপর যদি ঐ ট্রেনে কোন ফাঁকা সিট থাকে, তবে সেটি স্ক্রিনেই চলে আসবে।

৭) সেই ফাকা সিট কিভাবে নিজের জন্য বুক করবেন! তার বিবরণও চলে আসবে স্ক্রিনেই। টিটির সহায়তা নিতে হবে? নাকি এই অ্যাপ্লিকেশনের সূত্র ধরেই সেই সিট নিজের নামে বুক করা যাবে? সেইসমস্ত তথ্যই চলে আসবে স্ক্রিনে।

৮) এই অ্যাপ্লিকেশনের একটি বড় সুবিধা হল টিকিট কাটার জন্য এই অ্যাপে আলাদা করে কোনো অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে না। এই অ্যাপে লগইন না করলেও এটি কাজ করবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।