তৈরি ওরাল ট্যাবলেট এক ওষুধেই উধাও ডেঙ্গি?

18th November 2023 5:27 pm Country News
তৈরি ওরাল ট্যাবলেট এক ওষুধেই উধাও ডেঙ্গি?


এক ট্যাবলেটই চলে যাবে ডেঙ্গি! হ্যাঁ এমনই এক ট্যাবলেট আবিষ্কারের দাবি করেছে ইউনাইটেড স্টেটস এর বহুজাতিক সংস্থা জনসন এন্ড জনসন। প্রথম দফার ট্রায়ালে আশানুরূপ ফল পাওয়া গেছে বলেও জানানো হয়েছে সংস্থার তার তরফে।প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ৪০ কোটি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন।আমাদের দেশে বার্ষিক প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। তবে দীর্ঘদিনের এই রোগের কোন ওষুধ এখনো পর্যন্ত তৈরি হয়নি পৃথিবীতে। শুধুমাত্র উপসর্গ দেখে চিকিত্‍সা করেন চিকিত্‍সকেরা। তবে এবার এই মারণ রোগের ওরাল ট্যাবলেট আবিষ্কার করে তাক লাগিয়েছে আমেরিকার বহুজাতিক সংস্থা জনসন এন্ড জনশন। সম্প্রতি সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, একটি ওরাল ট্যাবলেট যা প্রথম দফার ট্রায়ালে ১০ জনের উপর প্রয়োগ করে শরীরে ডেঙ্গুর ভাইরাস ধ্বংস করার প্রমাণ মিলেছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে জে এন জে ১৮০২ নামক ট্যাবলেট টি শুধুমাত্র ভাইরাস শরীর থেকে খতম করতে পারে তাই নয়, সংক্রমণও প্রতিরোধ করতে পারে।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে মোট ১৫ জনকে নিয়ে প্রথম দফার ট্রায়াল হয়েছে। যার মধ্যে ১০ জন পেয়েছেন নব আবিষ্কৃত ডেঙ্গুর মোকাবেলার ট্যাবলেট। আর ৫ জন কে দেওয়া হয়েছে প্লাসিবো। ওষুধ শুরুর ৫ দিনের মাথায় সেচ্ছা সেবকদের শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে ঢোকানো হয়েছে ডেঙ্গু ডেন ৩ ভাইরাস। ওষুধ চলেছে ২১ দিন। এরপর দেখা যায় ১০ মধ্যে ৬ জনের শরীরে ডেঙ্গির কোনও অস্তিত্ব মেলেনি। বাকি চার জনের শরীরে যা মিলেছে তার মাত্রা বেশি নয়। যারা প্লাসিবো পেয়েছিলেন তাঁদের শরীরে মিলেছে বহু মাত্রায় ডেঙ্গির ভাইরাস। এর থেকেই আশার আলো দেখছেন গবেষকরা।ক্লিনিক্যাল ফার্মাকোলজিস্ট অর্পণ দত্ত রায় জানান, "প্রথম দফার ট্রায়ালে আশার দেখা যাচ্ছে। আগামী দিনে আরও বড় ট্রায়ালের মাধ্যমে ওষুধ হাতে এলে মানুষের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে এই ট্যাবলেট।" ডেঙ্গি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত নতুন ট্যাবলেটের এই মুহূর্তে দ্বিতীয় দফার ট্রায়াল হচ্ছে পেরু ফিলিপিনস ব্রাজিল সহ ১০ টি দেশের ৩০ টি হাসপাতালে। আগামী দিনে তৃতীয় দফার ট্রায়ালের জন্য ভারতে আমন্ত্রণ জানান হবে এই বহু ।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।